তথ্যপ্রযুক্তি ও দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োগ

তথ্য কণিকা

  • 'তথ্য' শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা- Information।
  • ইংরেজি ইনফরমেশন শব্দটির উৎপত্তি- ল্যাটিন শব্দমূল 'informatio' থেকে।
  • 'Informatio' শব্দটির ক্রিয়ামূল 'informare'-এর অর্থ কাউকে কোনো কিছু অবগত করা, পথ দেখানো, শেখানো, আদান-প্রদান ইত্যাদি।
  • তথ্যপ্রযুক্তি শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা- Information Technology (IT)।
  • তথ্যপ্রযুক্তি হলো- কম্পিউটার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, একত্রীকরণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং বিনিময় বা পরিবেশনের ব্যবস্থা।
  • তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ- গবেষণা থেকে শুরু করে ব্যবসা, শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসাসহ ঘরে-বাইরে, মহাকাশে, মহাসমুদ্রে সকল ক্ষেত্রেই।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা- Information and Communications Technology-ICT।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হলো- টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও তৎসম্পর্কিত সফটওয়্যার, তথ্য সংরক্ষণ, অডিও-ভিডিও সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের একীভূত যোগাযোগব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারে।
  • প্রযুক্তিতে আইসিটি শব্দটির ব্যবহার শুরু করেন- একাডেমিক গবেষকরা; ১৯৮০ সালের দিকে।
  • আইসিটি শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে- ১৯৯৭ সালে।
  • স্টিভেনসন যুক্তরাজ্য সরকারকে দেয়া এক প্রতিবেদনে আইসিটি শব্দটি উল্লেখ করেন- ১৯৯৭ সালে, যা পরবর্তীতে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের নতুন জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রসমূহ- তথ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি, তথ্য আদান-প্রদান বা তথ্য যোগাযোগ (টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট ইত্যাদি) প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপকরণসমূহ- হার্ডওয়‍্যার, সফটওয়্যার, ডাটা, দক্ষ জনশক্তি, প্রক্রিয়া ও নেটওয়ার্ক।
  • যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি হলো- ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি হলো- যে কোনো প্রকারের তথ্যের উৎপত্তি, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চালন এবং বিচ্ছুরণে ব্যবহৃত সকল ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তি।
  • বিশ্বগ্রাম (Global Village) হলো- এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
  • বিশ্বগ্রাম (Global Village) কথাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন- কানাডার বিখ্যাত টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান।
  • ইন্টারনেট হলো- পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
  • আউটসোর্সিং হলো- পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ কর্তৃক তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলো অন্য দেশের দক্ষ লোক দিয়ে করানো।
  • অফিস অটোমেশন হলো- বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহারে (যেমন: কম্পিউটার, টেলিযোগাযোগ, ই-মেইল ইত্যাদি) কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি যুক্ত অফিসের জিনিসপত্র হলো- কম্পিউটার, টেলিফোন মোবাইল, ফোন- ফ্যাক্স, মেশিন স্ক্যানার, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার, লেমিনেটর, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি- পিবিএক্স, সময় রেজিস্টার মেশিন প্রভৃতি।
  • ওয়েব পেইজ হলো- ইন্টারনেটে বিশেষ পেইজে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা।
  • যিনি ইন্টারনেটে ব্লগ পোস্ট করেন তাকে বলা হয়- ব্লগার।
  • টেলিমেডিসিন হলো- টেলিফোন, ইন্টারনেট, মোবাইল ইত্যাদি মিডিয়া ব্যবহার করে দেশে বা বিদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা সেবা গ্রহণের পদ্ধতি।
  • স্মার্টহোম এমন একটি বাসস্থান যেখানে- রিমোর্ট কন্ট্রোলিং এবং প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে একটি বাড়ির হিটিং, কুলিং, লাইটিং, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি একটি হোম অটোমেশন সিস্টেম।
  • Electronic Mail-কে সংক্ষেপে বলা হয়- E-mail।
  • ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো- সনাতন ডাক ব্যবস্থার পরিবর্তে ডিজিটাল ডাক ব্যবস্থার বিশেষ পদ্ধতি।
  • ভিডিও টেক্সাট হলো- টেলেক্স ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা তথ্যের টেলিভিশন, কম্পিউটার বা যে কোনো ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিটে প্রদর্শিত রূপ।
  • জিআইএস (GIS) হলো- এমন একটি সিস্টেম যা প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি পরিবেশ তথা ভৌগলিক অবকাঠামো ও পারিপার্শ্বিক বিষয় সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ ও সংগঠন করতে পারে।
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো- একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশ সম্পর্কে বাস্তবের অনুকরণে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারের মাধ্যমে- ড্রাইভিং শেখা, ডাক্তারি, বিমান চালনা, যুদ্ধ প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক কাজ করা যায়।
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো- মানুষের চিন্তা-ভাবনাগুলো কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারের মধ্যে রূপ দেয়া।
  • রোবট হলো- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা; যা মানুষ যেভাবে কাজ করে তা সেভাবে কাজ করতে পারে।
  • রোবটিক্স হলো টেকনোলজির সেই শাখা যেখানে রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
  • ক্রায়োসার্জারি (Cryosurgery) হলো- চরম ঠান্ডা বা বরফ শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করার পদ্ধতি, যেখানে তরল নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
  • বায়োমেট্রিক্স ব্যবহৃত হয়- মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কোথাও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে।
  • বায়োইনফরমেটিক্স বা জৈব তথ্যবিজ্ঞান হলো- এমন এক প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ফলিত গণিত, তথ্য বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন এবং জৈব রসায়ন ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সমাধান করা হয়।
  • বায়োইনফরমেটিক্সের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো- Java C, C++, Python, SQL, C#, XML, Perl, CUDA, MATLAB, Spreadsheet applications (MS Excel)।
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো- জেনেটিক পরিবর্তন, যা বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে জীবদেহে পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে।
  • ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি (সংক্ষেপে ন্যানোটেক) হলো- পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার বিদ্যা।
  • ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়- রিচার্ড ফিলিপস ফাইনম্যানকে।
  • টেলিকনফারেন্সিং হলো- টেলিফোন সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোনো সভায় অংশগ্রহণ করার পদ্ধতি।
  • ভিডিও টেলিকনফারেন্সিং হলো- একসারি ইন্টারঅ্যাকটিভ টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি যেগুলো দুই বা ততোধিক অবস্থান হতে নিরবিচ্ছিন্ন দ্বিমুখী অডিও এবং রিচার্ড ফিলিপস ফাইনম্যান ভিডিও সম্প্রচারের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ দেয়।
  • বুলেটিন বোর্ড হলো- একটি শক্তিশালী বোর্ড, যা কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
  • এক্সপার্ট সিস্টেম হলো- কোনো বিষয়ের ওপর বিশাল তথ্য সংগ্রহ করে ঐ বিষয়ের উপর যেকোনো প্রশ্ন কম্পিউটার থেকে জেনে নেয়ার ব্যবস্থা।
  • ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার হলো- আধুনিক কম্পিউটার ব্যবস্থায় টেলিফোন ও ডাটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক উপায়ে দ্রুত অর্থ স্থানান্তর করা।
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যেখানে- ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হয়ে, বাস্তবতার অনুকরণে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ, সেই সাথে বাস্তবের নায় স্রবণাভূতি এবং দৈহিক ও মানুসিক ভাবাবেগ, অনুভূতি প্রভৃতি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ

ই-কমার্স (Electronic Commerce)

  • ইলেকট্রনিক কমার্স (Electronic Commerce)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ- ই-কমার্স (E-Commerce)।
  • অনলাইনে সার্ভিস ও পণ্য কেনা-বেচার প্রক্রিয়াকে বলে- ই-কমার্স। (E-Commerce) ।
  • পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য পরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াকে সামগ্রিকভাবে বলে- ই-কমার্স।
  • Electronic Funds Transfer (EFT) সম্ভব হয়েছে- ই-কমার্স এর ফলে।
  • ই-কমার্সের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- কম সময়ে কাস্টমার সার্ভিস প্রদান ও সঠিক তথ্য প্রদান।
  • আজকের দিনের সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মূল হাতিয়ার হচ্ছে- ই-কমার্স।
  • কয়েকটি ই-কর্মাস ভিত্তিক ওয়েবসাইট- www.amazon.com, www.bestbuy.com, www.ebay.com, www.daraz.com.

ই-ব্যাংকিং (E-Banking)

  • অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা লেনদেনের সিস্টেমকে বলে- ই-ব্যাংকিং।
  • বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, কর ইত্যাদি প্রদানের জন্য খুব জনপ্রিয় হচ্ছে- অনলাইন ব্যাংকিং/ই-ব্যাংকিং।
  • ২৪ ঘণ্টাই ব্যাংকের নাগরিক সুবিধা পাওয়া যায়- ই-ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে।

মোবাইল-ব্যাংকিং (Mobile-Banking)

  • মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাযুক্ত সেবার নামই হলো- মোবাইল ব্যাংকিং।
  • বিশ্বে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং/ মোবাইল বাণিজ্যের উদ্ভবকাশে হয়- ১৯৯৭।
  • ১৯৯৭ সালে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয়- ফিনল্যান্ডের মেরিটা ব্যাংকে।
  • বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়- ৩১ মার্চ ২০১১।
  • বর্তমানে বাংলাদেশে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিংগুলো হলো- বিকাশ, রকেট, নগদ, M-Cash, U-Cash ইত্যাদি।
  • বর্তমানে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেল প্রদান করা হয়- মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে।
  • বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং-ডাচ বাংলা ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং (রকেট)।

ই-গভর্নেন্স (E-Governance)

  • সরকারের সমস্ত নীতিমালা, গেজেট, পরিকল্পনা, বাজেট, নাগরিক সুবিধা সমস্ত কিছু ইন্টানেটের মাধ্যমে জানার মাধ্যমকে বলে- ই-গভর্নেন্স (E-Governance)।
  • বর্তমানে সরকারের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়- ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে।
  • সমস্ত পুলিশ স্টেশনকে সমন্বিত নেটওয়ার্কের আওতায় আনার সিস্টেমকে বলে- ই-পুলিশিং।
  • জিডি, এজহার এন্ট্রি, মামলা নিষ্পত্তি এবং মামলার ফাইল হারানোর ভয় থাকে না- ই-পুলিশিং ব্যবস্থায়।
  • শেয়ার বাজারে লেনদেনের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে- ই-কমার্স (E-commerce)।
  • গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থান করেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিকট থেকে চিকিৎসা নেয়ার পদ্ধতি-ই-হেলথ।

ই-লার্নিং (E-Learning)

  • অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশুনা বা ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমকে বলে- ই-লার্নিং (E-learning)।
  • বিশ্বে খুব জনপ্রিয় ই-লার্নিং (E-learning) সাইট হলো- khanacademy.com।
  • বাংলাদেশে খুব প্রিয় ই-লার্নিং সাইট হলো- 10minuteschool.com।

আউটসোর্সিং (Outsourcing)

  • অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়াকে বলে- আউটসোর্সিং (Outsourcing)।
  • আইসিটির উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে জন্ম নেয়া অর্থনীতিকে বলে- জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি/ নলেজ ইকোনমি।
  • উন্নয়নশীল দেশসমূহ ICT enable service কে কাজে লাগিয়ে অর্জন করছে- বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।
  • সাধারণ সেক্টরের তুলনায় ICT সেক্টরে বিনিয়োগ করতে প্রয়োজন সাধারণ সেক্টরে বিনিয়োগের ৪ ভাগের ১ ভাগ।

বেচা-কেনার বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইট

  • অনলাইনে পণ্য কেনা-বেচার জনপ্রিয় সাইটগুলো হলো- amazon.com, ekhanei.com, olx.com, bikroy.com ইত্যাদি।
  • বাংলাদেশি আমেরিকান উদ্যোক্তার বেচা-কেনার সাইট ekhanei.com চালু হয়- ২০০৬ সালে।
  • ১০৬টিরও বেশি দেশে খুবই জনপ্রিয় কেনা-বেচার সাইট হলো- olx.com।
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ইন্টারনেট ভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা সাইট হলো- amazon.com।
  • বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় একটি শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন ওয়েবসাইট হলো- bikroy.com।
  • অনলাইনে ক্রেতা-বিক্রেতার সেবা দেয়ার প্ল্যাটফর্ম bikroy.com বাংলাদেশে চালু হয়- ১৮ অক্টোবর ২০১২।

বিশ্বগ্রাম (Global Village)

  • বিশ্বগ্রাম (Global Village) হচ্ছে- এমন একটি সামাজিক বা সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা, যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা তাদের চিন্তা-চেতনা, অভিজ্ঞতা, সংস্কৃতি-কৃষ্টি ইত্যাদি বিনিময় করতে পারে ও একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
  • সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ কথাটি ব্যবহার করেন- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান।
  • বিশ্বগ্রাম (Global Village)-এর জনক বলা হয়- মার্শাল ম্যাকলুহানকে।
  • বিশ্বগ্রাম (Global Village)-এর মূলকথা হলো- বর্তমান বিশ্বকে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি গ্রামে পরিণত করা।
  • বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ হলো- হার্ডওয়‍্যার বা কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, প্রোগ্রামসমূহ বা সফ্টওয়্যার, হিউম্যানওয়্যার বা কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সক্ষমতা, ডেটা বা ইনফরমেশন, নেটওয়াক মিডিয়া বা যোগাযোগ মাধ্যম।
  • গ্লোবাল ভিলেজের ধারণা সংশ্লিষ্ট উপাদানসমূহ হলো- যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসা, গবেষণা, অফিস, বাসস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য, সংবাদ, বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বিনিময়।
  • বিশ্বগ্রামের জনক Marshall Mcluhan-এর দুটি বিখ্যাত বই হলো- The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man (1962) এবং Understanding Media (1964)।
  • বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন মাধ্যম/ফ্যাক্টরসমূহ হলো- রেডিও, টেলিভিশন, স্যাটেলাইট, ইন্টারনেট, টেলিফোন, ই-মেইল, ফেইসবুক, টুইটার, স্কাইপি, ই-কমার্স, টেলি কনফারেন্সিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, ই-লাইব্রেরি, ব্লগ, ই-এডুকেশন, ওয়েবসাইট, ভাইবার, আউটসোর্সিং, বিভিন্ন প্রকার সফটওয়‍্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইত্যাদি।
  • বাংলাদেশ ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয়- ১৯৯৬ সালে।
  • বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়- ২০০৪ সালে।
  • ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগাযোগের ব্যবস্থাসমৃদ্ধ স্থানকে বলে- বিশ্বগ্রাম/ Global Village।
  • বিশ্বগ্রাম ধারণার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হলো- Internet of Things (IOT)।

ক্রায়োসার্জারি (Cryosurgery)

  • Cryosurgery- এর অর্থ-শৈত্য শল্য চিকিৎসা।
  • ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে- এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা অতি ঠান্ডায় অস্বাভাবিক ও অসুস্থ টিস্যুর জীবাণু ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • ক্রায়োসার্জারির অপর নাম- ক্রায়োথেরাপি বা ক্রায়োবোলেশন।
  • গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দুটি হতে এসেছে- ক্রায়োসার্জারি।
  • ১৯৫০ সালে ড. রে. এলিংটন ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহার করেন- তরল নাইট্রোজেন।
  • ওয়ার্ট, মোল, স্ক্রিন ট্যাগ, সোলার কেরাটোস, মর্টনস নিউরোমা, চর্ম চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো- ক্রায়োসার্জারি।
  • আধুনিক ক্রায়োসার্জারির যাত্রা শুরু হয়- ড. ইরভিং কুপার এবং আর্নোল্ড লির হাত ধরে।
  • ত্বকের ছোট টিউমার, তিল, আচিল, ত্বকের ছোট ছোট ক্যান্সার ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়- ক্রয়োসার্জারি।
  • ক্রায়োসার্জারি সিম্যুলেটেড সফটওয়‍্যার ব্যবহার করা হয়- ডাক্তারদের প্রশিক্ষণের জন্য।
  • ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক পদ্ধতি হলো- ক্রায়োসার্জারি।
  • যেসব রোগীর বয়স এবং অন্যান্য শারীরিক কারণে সাধারণ সার্জারির ধকল নিতে অক্ষম, তাদের জন্য- ক্রায়োসার্জারিই হলো আদর্শ।
  • অতিরিক্ত ঠান্ডা বা হিমায়িত করার জন্য ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়- তরল নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, আর্গন ও ডাইমিথাইল ইথার প্রোপেন।
  • ক্রায়োসার্জারি চিকিৎসা পদ্ধতিতে শরীরের অভ্যন্তরে হিলিয়াম গ্যাস, আর্গন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড স্প্রে করে হিমায়িত করার কাজে যে গোলাকার নল ব্যবহৃত হয় তার নাম- ক্রায়োপ্রব।
  • আক্রান্ত টিস্যুর তাপমাত্রাকে অতিরিক্ত হিমায়িত করে মাইনাসে নামিয়ে এনে বরফ জমিয়ে টিস্যুকে ধ্বংস করে- ক্রায়োথেরাপি পদ্ধতি।
  • পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীন তাপমাত্রার অস্বাভাবিক তারতম্য ঘটিয়ে আক্রান্ত টিস্যুকে ধ্বংস করা হয়- ক্রায়োথেরাপি পদ্ধতিতে।
  • ক্রায়োথেরাপি চিকিৎসায় আক্রান্ত টিস্যুর ধ্বংস হয়ে যায়- প্রায় ৯০ ভাগ।
  • বর্তমানে ক্রায়োথেরাপি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়- ওরাল ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, লুনার ক্যান্সার, পার্কিনসন রোগে আক্রান্ত মস্তিষ্কের অংশ বিশেষ ধ্বংস করে ফেলার কাজে।
  • ক্রায়োথেরাপির মূল লক্ষ্য হলো- ত্বকের আক্রান্ত স্থানের কোষসমূহকে হিমায়িত করে ধ্বংস করা এবং এদের পার্শ্ববর্তী কোষসমূহকে ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা করা।
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় বর্তমান সময়ে নিখুঁতভাবে ক্রায়োসার্জারি করা হয়- ক্রায়োগান ব্যবহার করে।
  • খেলার মাঠে আঘাতজনিত আহত খেলোয়াড়কে সুস্থ করার কাজে ব্যবহৃত হয়- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতি।
  • ক্রায়োপ্রোব হলো- মাইক্রো ক্যামেরাযুক্ত নল যা দিয়ে ক্ষতস্থান শনাক্ত করা হয়।

বায়োমেট্রিক্স (Biometrics)

  • গ্রিক শব্দ "Bio" (যার অর্থ জীবন) ও "metric" (যার অর্থ পরিমাপ) থেকে উৎপত্তি হয়েছে- বায়োমেট্রিক্স (Biometrics)।
  • বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে- এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার- আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়।
  • বায়োলজিক্যাল ডেটা মাপা এবং বিশ্লেষণ করার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি হলো- বায়োমেট্রিক্স।
  • বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে ব্যবহৃত দেহের গঠনগত বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- মুখ (Face), ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint), হ্যান্ড জিওমেটরি (Hand Geometry), আইরিস (Iris), রেটিনা (Retina), শিরা (Vein)।
  • বায়োমেট্রিক্সে ব্যবহৃত আচরণগত বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- কণ্ঠস্বর (Voice), সিগনেচার (Signature), টাইপিং কি স্ট্রোক।
  • বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি সাধারণত ব্যবহৃত হয়- ২ ধরনের কাজে; যথা: ১. কোনো ব্যক্তি সনাক্তকরণ (Identification) কাজে ২. সত্যতা যাচাই (Verification) কাজে।
  • বায়োমেট্রিক্সে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রযুক্তি হলো- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint)।
  • সম্প্রতি বাংলাদেশে মোবাইল সিম বায়োমেট্রিক্সকরণে ব্যবহৃত যন্ত্র হলো- Finger Print Reader।
  • ব্যাংক-বীমা এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়- Signature Verification।
  • মানবদেহের ৩১,০০০-এর বেশি পয়েন্ট এবং ৯০ টিরও বেশি আলাদা আলাদা পরিমাপ পরীক্ষা করতে পারে- Hand Geomethry Reader।
  • বায়োমেট্রিক্স এর মূল কাজ হচ্ছে- প্রতিটি মানুষের যে অনন্য বৈশিষ্ট্য আছে তা খুঁজে বের করা এবং প্রতিটি মানুষকে সেই বৈশিষ্ট্যের আলোকে পৃথক পৃথকভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করা।
  • বায়োমেট্রিক্স সিস্টেমে শনাক্তকরণে যে দু'ধরনের বায়োলজিক্যাল ডেটা ব্যবহৃত হয় তা হলো- শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত।
    • শারীরবৃত্তীয়: মানুষের মুখমণ্ডল, হাতের আঙুল, হাতের রেখা, রেটিনা, আইরিস, শিরা।
    • আচরণগত: ব্যক্তির আচরণ, হাতের লেখা, কথা বলা বা চলাফেরা স্টাইল।
  • বায়োমেট্রিক্স ডিভাইসে সাধারণত থাকে- তিনটি অংশ। যথা:
    1. একটি রিডার অথবা স্ক্যানিং ডিভাইস।
    2. একটি কনভার্টার সফ্টওয়্যার; যা স্ক্যানকৃত তথ্য ডিজিটালে রূপান্তর করে যা ম্যাচিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
    3. একটি ডেটাবেজ যেখানে তুলনার জন্য বায়োমেটিক্স ডেটা সংরক্ষিত থাকে।
  • কম্পিউটারের সিস্টেম পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়- মুখের ছবি, চোখের মণি, ফিঙ্গার প্রিন্ট ইত্যাদি।
  • বর্তমানে বিভিন্ন অফিসে একসেস কন্ট্রোলের (প্রবেশাধিকার) জন্য ব্যবহৃত হয়- আইডেন্টি কার্ড, ফিঙ্গার প্রিন্ট, হাতের তালু ইত্যাদি।

বায়োমেট্রিক্স-এর ব্যবহার:

বিচারিক বিভাগ সরকারি বিভাগ বাণিজ্যিক বিভাগ
মৃতদেহ শনাক্তকরণ পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট এটিএম ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং
অপরাধী শনাক্ত করা ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ভোটার নিবনন্ধন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও কম্পিউটারে লগ ইন
পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব নির্ণয় সম্পদ বণ্টন মোবাইল ফোন
হারানো শিশু বের করা সীমানা (বর্ডার) অতিক্রম ই-কমার্স ও স্মার্ট কার্ড

বায়োইনফরম্যাটিক্স (Bioinformatics)

  • বায়োইনফরম্যাটিক্স হলো- বিজ্ঞানের সেই শাখা যা বায়োলজিক্যাল ডেটা এনালাইসিস করার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তি, ইনফরমেশন থিওরি এবং গাণিতিক জ্ঞানকে ব্যবহার করে।
  • জীব সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তিকে বলে- বায়ো-ইনফরমেটিক্স।
  • বায়ো-ইনফরমেটিক্সে ব্যবহার হয়- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ওডটা মাইনিং, সফট কম্পিউটিং, ইমেজ প্রসেসিং, সিমুলেশন অ্যালগরিদম ইত্যাদি।
  • বায়ো-ইনফরমেটিক্সে ব্যবহৃত সফটওয়্যার টুলসগুলো হলো- Java, C#, XML, Python, Perl, C, C++, R, SQL, CUDA, MATLAB, Spreadsheet applications ইত্যাদি।
  • বায়ো-ইনফরমেটিক্সের ব্যবহারগুলো হলো- মলিকুলার মেডিসিন, পার্সোনালাইড মেডিসিন, জিন- থেরাপি, ঔষধ উন্নয়ন, মাইক্রোবিয়াল জিনোম এপ্লিকেশন, ওয়াল্ট ক্লিনআপ, আবহাওয়া পরিবর্তন শিক্ষা, বিকল্প শক্তির উৎস, বায়োটেকনোলজি, এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স, মাইক্রোবেস-এর ফরেনসিক বিশ্লেষণ, বায়ো-অস্ত্র উৎপাদন, বিবর্তন শিক্ষা, শস্য উন্নয়ন, কীট প্রতিরোধ ইত্যাদি।
  • মলিকুলার (আণবিক) জেনেটিক্স এর ভিজ্যুয়ালাইজেশনকে সম্ভব করে তুলতে ব্যবহৃত হয়- বায়োইনফরমেটিক্স।
  • Open Source Bioinformatics সফটওয়্যারগুলো হলো- Bioconductor, BioPerl, Biojava, BioRcuby, Bioclipse, EMBOSS, Taverna workbench, UGENE ইত্যাদি।
  • বায়োমেট্রিক্স ব্যবহৃত গবেষণা ক্ষেত্রসমূহ হলো- Sequence alignment, DNA mapping, DNA analysis, জিন ফাইন্ডিং, জিনোম সমাগম, ড্রাগ নকশা, ড্রাগ আবিষ্কার, প্রোটিনের গঠন, প্রোটিনের ভবিষ্যৎ গঠন, জিন সূত্রের ভবিষ্যৎ, প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া, জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।
  • বায়োইনফরম্যাটিক্স-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- জৈবিক পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করা।
  • বায়োইনফরম্যাটিক্স হলো- কম্পিউটার বিজ্ঞানের সাথে আণবিক জীববিজ্ঞানের সমন্বয়ের ফল।
  • বায়োইনফরম্যাটিক্স-এর কাজ হলো- জীনগত তথ্য বিশ্লেষণ করে নানা ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন।
  • বায়োইনফরম্যাটিক্স-এর ব্যবহার রয়েছে জীববিজ্ঞানের এমন শাখাগুলো হলো- মলিকুলার জীববিজ্ঞান, জেনেটিক ও জিনোমিকস।
  • বায়োইনফরম্যাটিক্সকে কম্পিউটার কেন্দ্রিক জীববিজ্ঞান বলা হয়- কারণ এটি জীববিজ্ঞান সম্বন্ধীয় জ্ঞান ব্যবহার করে সফ্টওয়্যার টুলস তৈরি করে এবং এটি ফলিত গণিত, তথ্যবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জৈব রসায়ন ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সমাধান করে।
  • জেনেটিক ও জিনোমিক ডেটার মধ্যে তুলনা করা ও মলিকুলার বায়োলজির বৈশিষ্ট্য অনুধাবন ও মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে- বায়োইনফরম্যাটিক্স টুলস।
  • সিস্টেম বায়োলজির উচ্চতর গবেষণা পর্যায়ে জীবের গঠন ও গতিপথ বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়- বায়োইনফরম্যাটিক্স টুলস।
  • DNA, RNA ও প্রোটিনের গঠন এবং বিভিন্ন অণুর মধ্যে আন্তঃসম্পর্কিত বিষয় মডেলিং ও সিমুলেশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়- বায়োইনফরম্যাটিক্স।
  • ইমেজ ও সিগন্যাল প্রসেসিং ব্যবহার করে বিশাল পরিমাণ ডেটার কাঁচামাল হতে প্রয়োজনীয় ডেটা বা ফলাফল বাছাই করে- বায়োইনফরম্যাটিক্স।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)

  • বায়ো টেকনোলজির কোনো জীবের জিনোমকে নিজের সুবিধানুযায়ী সাজিয়ে নেয়াকে বলে- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
  • বানরের ভাইরাস SV40 ও lamda virus-এর সমন্বয় ঘটিয়ে Recombinant DNA অণু তৈরি করেন- Paul Berg (1972)।
  • ১৯৭৩ সালে সর্বপ্রথম ট্রানজেনিক জীব তৈরি করেন- Herbert Boyer এবং Stanley Cohen।
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাহায্যে ভাইরাস প্রতিরোধকারী তামাক গাছের প্রবর্তনের মাধ্যমে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদকে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক রূপদানকারী দেশ হলো- চীন।

ন্যানো প্রযুক্তি (Nano-technology)

  • Nano শব্দটি গ্রিক Nanos থেকে এসেছে যার আভিধানিক অর্থ হলো- Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ছোট প্রাণী)।
  • পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুনভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞানকে বলে- ন্যানো টেকনোলজি।
  • রিচার্ড ফেইম্যান 'There's plenty of Room at the Bottom' আলোচনায় ধারণা দেন- ন্যানো প্রযুক্তির (১৯৫৯)।
  • ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়-আমেরিকার পদার্থবিদ রিচার্ড ফেইম্যানকে।
  • ন্যানো টেকনোলজি কথাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেছিলেন- নরিও তানিগুচি (Norio-Taniguchi) ১৯৭৪ সালে।
  • ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরি ন্যানো রোবট, ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি, জ্বালানি, প্যাকেজিং ও প্রলেপ তৈরি, ঔষধ তৈরি, ক্যান্সার নির্ণয় ও নিরাময়, বাতাস পরিশোধন, বস্ত্র-শিল্প, কৃত্রিম অঙ্গ- প্রত্যঙ্গ তৈরি, টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরি, ফুলারিন তৈরি, কার্বন ন্যানোটিউব তৈরি ইত্যাদিতে।
  • ১ ন্যানো মিটার হলো- এক মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ।
  • ন্যানো টেকনোলজির প্রক্রিয়া ২টি হলো-
    1. উপর থেকে নিচ (Top to Bottom)
    2. নিচ থেকে উপর (Bottom to Top)

বুলেটিন বোর্ড (Bulletin Board)

  • বুলেটিন বোর্ড হলো- ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা যা টেলিফোন লাইন এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত।
  • বুলেটিন বোর্ডকে সচল রাখার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে ব্যবহৃত সার্ভারকে সংযুক্ত রাখতে হয়- একটি টেলিফোন লাইনের সঙ্গে।
  • বুলেটিন বোর্ড ব্যবস্থার সাথে সার্বক্ষণিকভাবে তথ্য সরবরাহের জন্য সংযুক্ত থাকে- কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার।
  • বুলেটিন বোর্ড দেখতে অনেকটা স্কুল কলেজের নোটিশ বোর্ডের মতো।
  • বুলেটিন বোর্ডের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো- World Wide Web (www)।

Start Practice Test